দক্ষিণ শহরতলীর বুকে লক আউটে বন্ধ জেনিথ কোম্পানির ঠিক পাশেই ভগ্নপ্রায় প্রাসাদোপম বাড়িটির নাম মঞ্জরী মহল। ব্রিটিশ আমলে তৈরি স্থাবর এই সম্পত্তিটির একসময় মালিক ছিলেন প্রসিদ্ধ অভিনেত্রী মঞ্জরী দেবী।
মঞ্জরী দেবীর জীবনের মতো তাঁর মৃত্যুও ছিল রহস্যের ঘেরাটোপে বন্দী, একদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে বাসিন্দারা আবিষ্কার করল মঞ্জরী যেন কর্পুরের মতো উধাও হয়ে পরেছেন। কিন্তু সত্যই কি আর মঞ্জরী নিরুদ্দেশ হয়েছেন। তবে প্রতি রাতে কে হানা দ্যায় বিশাল এই বাড়ির অন্দরমহলে? কার পায়ের নূপুরের শব্দ গুঞ্জরিত হয়ে দেয়ালে দেয়ালে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে আসে বাড়ির প্রতি কোণে?
অভিশপ্ত এই অট্টালিকার বাসিন্দা বর্তমান মালিক বৃদ্ধ সদাশিব আর নাতি কলেজ পড়ুয়া জয়। সদাশিব নিজের বুক দিয়ে জয়কে আগলে রাখেন, শরীরে প্রাণ থাকতে জয়ের কোন ক্ষতি তিনি হতে দেবেন না এমনই তাঁর প্রতিজ্ঞা, এহেন সদাশিবের হঠাৎ মৃত্যু ঘটল, নাতি জয়ের জন্যে ঠাকুর্দা রেখে গেলেন মঞ্জরী মহলের মালিকানা এবং নিজের হাতে লেখা একটি চিঠি, কি লেখা ছিল। সেই চিঠিতে? যা জয়কে ভয়ংকর এক সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ফেলল। সদাশিবের পর এবার মঞ্জরীর নতুন শিকার কি তবে জয়? বিপন্ন জয়ের পাশে এসে দাঁড়াল বন্ধু রজত আর প্যারানর্মাল এক্সপার্ট স্যামুয়েল রায়চৌধুরি। তিনমূর্তি কি পারবে অতীতের গর্ভে লুকিয়ে থাকা রহস্যের হদিশ করে বর্তমান সমস্যার মোকাবিলা করতে, জানতে হলে পড়ুন মঞ্জরী মহল।






There are no reviews yet.