সাহিত্যের যদি অধিকার থাকে জীবনের অন্ধকার অঞ্চলটায় ঢোকার, ‘ট্র্যাশ’-এর সেটা আছে। জীবন যে অ্যাবসার্ড, তারপরেও মানুষ বাঁচে, নৈতিক পতন, আতংক আর নীরবতা সহ্য করে মানুষ বাঁচে একটা অযৌক্তিক পৃথিবীতে। কেন বাঁচে? এই প্রশ্নটা করার সাহস যদি আপনার থাকে, যদি এমন একটা উপন্যাস চান যার শেষ পৃষ্ঠাটা পড়া হয়ে যাওয়ার পরেও মস্তিষ্ক থেকে তার আতঙ্কের নখ আর ত্রাসের দাঁত সরে যাবে না, তার হিংস্র গর্জন বন্ধ হবে না, তাহলে এই বইটা আপনার জন্য।
“ট্র্যাশ” একটি এক্সিস্টেন্সিয়াল হরর…
কিন্তু “ট্র্যাশ” কি শুধুই এক্সিস্টেন্সিয়াল হরর?? নাহ্, তার বাইরে গিয়েও এই ভৌতিক উপন্যাস টার মধ্যে আপনি সিগনেচার অনুপম মুখোপাধ্যায় পাবেন। জীবনের প্রতি একটা অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি, চাঁচাছোলা রাজনৈতিক মতামত এবং যৌনতা ছড়িয়ে রয়েছে গোটা উপন্যাসটা জুড়ে। হ্যাঁ, যৌনতা। খুব স্পষ্ট ভাবে বলছি এই বইতে রয়েছে আনকাট যৌনতা। কিন্তু লেখক এবং প্রকাশক দুজনেই সচেষ্ট থেকেছে যে এর ফলে কারোর ভাবাবেগে যেন আঘাতপ্রাপ্ত না হয়। তবুও সতর্কীকরণ হিসেবে বলে রাখাই ভালো যে এই বই সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্ত মনস্কদের জন্য।






There are no reviews yet.